শনিবার, ১৩ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে চৈত্র, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, রাত ২:৫৬

স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাগড়াছড়ির পানছড়িতে শুরু হয়েছে শিক্ষা কার্যক্রম।

ডেইলি ক্রাইম বার্তা ডেস্ক : ১২ সেপ্টেম্বর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান শেষে খুলল স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার দুয়ার। এটি পৃথিবীরর ইতিহাসে স্মরণকালের দীর্ঘতম বন্ধ ছিল। সারা বাংলাদেশের ন্যায় এই পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলায়ও ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক ও শিক্ষক সমাজসহ একে অপরের মাঝে চিরচেনা কোলাহলে ফিরতে পেরে আনন্দের স্বতঃস্ফূর্ত ভাব ফুটে উঠতে দেখা গেল।
সোমবার পানছড়ি উপজেলার প্রাথমিক,বিদ্যালয় মোট ৭৯টি কলেজ ২টি মাদ্রাসা ২টি মাধ্যমিক ৮ ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের পানছড়ির মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়,পানছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজ,পানছড়ি ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা, পানছড়ি বাজার উচ্চ বিদ্যালয়,উল্টাছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়,পানছড়ি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,পানছড়ি পূঁজগাঙ মুখ উচ্চ বিদ্যালয়, সহ পানছড়ি উপজেলার শিক্ষাঅফিস্যার সুজিত মিএ চাকমার সাথে কথা বললে তিনি এইসব তথ্য দেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ইনফ্রারেড থার্মোমিটার দুটি মাক্স স্টুডেন্ট অনুযায়ী বিদ্যালয়ে গৃহ পরিচ্ছন্ন ব্লিচিং পাউডার পর্যাপ্ত পরিমান ও মগ বালতি সাবান হাত ধোয়ার জন্য প্রতিটা বিদ্যালয়ে রাখা হইছে ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের মাঝে দেখা গেছে অপরিসীম খুশি ও আনন্দের ছাপ।
উল্টাছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার বলেন, অনেক দিন পর ঘরবন্দি জীবন থেকে বাইরে বের হয়ে নিয়মের মধ্যে ফেরা, অনলাইনে ক্লাসের বদলে সরাসরি শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলা, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো সবমিলিয়ে পুনরায় একটি চমৎকার ক্লাস করলাম।
কলেজ পড়ুয়া ছাত্র সুমেন ত্রিপুরা বলেন, দীর্ঘ সময় পর কলেজে শিক্ষক ও বন্ধুদের নিয়ে একসাথে ক্লাস করতে পারছি।এটা আমার জন্য অনেক আনন্দের।
সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন অভিভাবক সুমেন চাকমা বলেন, আমার মেয়েকে সাথে নিয়ে আজ স্কুলে আসলাম।সে খুবই আনন্দিত। তার বন্ধু বান্ধব ও শিক্ষকদের একসাথে পেয়ে সে খুবই খুশি।আমিও খুশি এতদিন পর সবাই স্কুলে ফিরতে পেরেছে।
তাদের ভবিষ্যত নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম এতোদিন।
পূজগাঙ মূখ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বিজয় কুমার দেব বলেন, কোভিড ১৯ সিচুয়েশনের কারণে দীর্ঘ অনেক মাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের পর বিদ্যালয় খোলায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অত্যন্ত খুশি।শিক্ষার্থীরা তাদের এই চিরচেনা বিদ্যাপীঠে ফিরতে পেরে তাদের চোখে মুখে হাসির রেখা ফুটে উঠেছে।আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রেণি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।
পানছড়ি বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অলি আহমেদ বলেন, সরকারের নির্দেশনা ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে পেরে আনন্দিত বোধ করছি।শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা পরামর্শমূলক নির্দেশনা ব্যানার ও ফেস্টুন ঝুলিয়ে দিয়েছি। ছাত্র ও ছাত্রী উভয়ের জন্য আলাদা আলাদা ভাবে হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অভিভাবকরাও উৎফুল্ল ও আনন্দিত।
পানছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সমীর দত্ত চাকমা বলেন, আমরা সরকারের প্রতিটি নির্দেশনা অনুসরণ করে কলেজ কার্যক্রম চালু করেছি।প্রতিটি শিক্ষার্থীদের আমরা স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করার দিকনির্দেশনা প্রদান করেছি।
“মোঃ চাঁন মিয়া সংবাদদাতা পানছড়ি (খাগড়াছড়ি)”