মঙ্গলবার, ১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, সকাল ১১:৫৬

গৃহবধূকে ধর্ষণ এবং আসামী রিমান্ডে।

ডেইলি ক্রাইম বার্তা ডেস্ক : দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে মা-বাবাকে বেঁধে রেখে কিশোরী গৃহবধূকে ধর্ষণের পর মারধরের ঘটনায় প্রধান আসামি মিরাজ হোসেনের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত আর এই ঘটনা লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে মিরাজকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। বিচারক চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও রামগতি থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মমিনুল হক বলেন, নারকীয় এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চলছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মিরাজ চর নেয়ামত গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী গৃহবধূর পরিবার জানিয়েছে, রোববার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে খাবার শেষে ওই গৃহবধূ (১৪) ও তার মা-বাবা সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়ে। গভীর রাতে একদল মুখোশধারী লোক দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকেন। ঘরে ঢুকেই তারা পরিবারের সদস্যদের হাত-পা বেঁধে ফেলেন। এক পর্যায়ে ওই গৃহবধূকে তারা জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এদের মধ্যে একজনের পান খাওয়ার সময় মুখোশ খুলে যায়। তিনি মিরাজ বলে গৃহবধূ চিনে ফেলেন। ধর্ষণ শেষে তারা গৃহবধূকে বেদম মারধর করে ঘরে থাকা টাকা ও স্বর্ণালঙ্কারসহ জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যান। পরে চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এসে গৃহবধূসহ পরিবারের লোকজনকে উদ্ধার করে রামগতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
অবস্থার অবনতি হলে গৃহবধূকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়।
ধর্ষণ ও মারধরের ঘটনার সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) রাতে গৃহবধূর বাবা বাদী হয়ে মিরাজের নাম উল্লেখ ও অচেনা আরও তিন জনের নামে মামলা করেন।
এ ব্যাপারে রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)
জনাব, মো. সোলায়মান বলেন, খবর পেয়েই আমরা ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করি। এ সময় ঘটনার আলামত জব্দ করা হয়। পান খেতে গিয়ে মিরাজের মুখোশ খুলে যাওয়ায় তাকে শনাক্ত করা গেছে। পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে এই ঘটনা ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মামলাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।