শনিবার, ২০শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, রাত ১:৩২

বিমান বাহিনী বাংলাদেশ হেলিকপ্টার থেকে বীজ ছিটানো শুরু করেছে, এই প্রথম।

ডেইলি ক্রাইম বার্তা ডেস্ক : (২০ সেপ্টেম্বর) থেকে এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। উপকূলীয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় বনায়নের উদ্দেশে হেলিকপ্টারে বীজ ছিটানোর কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।
প্রথম দিনে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে আজ বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার দ্বারা আকাশ হতে সীডবল নিক্ষেপের মাধ্যমে দুর্গম এলাকায় বীজ ছিটানো হয়। উপকূলীয় অঞ্চলে আগামীকালকেও (২১ সেপ্টেম্বর) বীজ ছিটানো হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রেরণায় উজ্জীবিত বাংলাদেশ বিমান বাহিনী স্বাধীনতার সূচনালগ্ন হতেই সর্বদা দেশের আকাশসীমা রক্ষার পাশাপাশি যে কোন দেশ সেবামূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনী বন অধিদপ্তরের সাথে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের উপকূলীয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের দুর্গম এলাকায় বনায়ন কর্মসূচী গ্রহণ করেছে।
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাতের নির্দেশনায় উক্ত বনায়ন কর্মসূচী পরিচালিত হয়।
বাংলাদেশে এই প্রথম হেলিকপ্টারযোগে আকাশ থেকে সিডবল নিক্ষেপের মাধ্যমে উপকূলীয় অঞ্চলে বীজ ছিটানো হয়।
গত ৩ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালী হতে প্রয়োজনীয় বীজ সংগ্রহ করে বিমান সদরে যথাযথভাবে প্রক্রিয়াজাত করে সীডবল তৈরি করা হয়। উক্ত প্রক্রিয়াজাতকৃত সীডবলসমূহ বিমান বাহিনীর ২টি এমআই সিরিজ হেলিকপ্টারের মাধ্যমে আকাশ হতে নোয়াখালীর ডমার চর এলাকার উপকূলীয় অঞ্চলে ছিটানো হয়।
উল্লেখ্য যে, বনায়নের জন্য নির্বাচিত স্থানসমূহ দুর্গম ও সড়কপথে যাতায়াতের অনুপযোগী হওয়ায় হেলিকপ্টারের মাধ্যমে এসকল এলাকায় বীজ ছিটানো কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী পরিচালিত উপরোক্ত বনায়ন কর্মসূচী গ্রীন হাউজের প্রভাবে সমূদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি, বন উজাড় প্রভৃতি হতে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।