ডেইলি ক্রাইম বার্তা ডেস্ক : নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী ভাতিজিকে ধর্ষণ করেছে দূর সম্পর্কের চাচা আর এই ঘটনা বরগুনার আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামে। ধর্ষণের ভিডিও ধারণ এবং পরবর্তীতে ভয় দেখিয়ে ফের পর্নো ছবি তুলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার মামলায় ধর্ষক সোহেল (১৭) ও তার সহযোগী খালাত বোন মারুফাকে (১৪) গ্রেপ্তার করেছে আমতলী থানা পুলিশ। ধর্ষিতাকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামের এক স্কুলছাত্রী তাদের বাড়ির দূর সম্পর্কের চাচা রাসেল আকনের ঘরে দর্জির কাজ শিখতে যায়। রাসেলের ছোট ভাই সোহেল আকন প্রায়ই ওই শিক্ষার্থীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসলে ভিকটিম তা প্রত্যাখ্যান করে।
অপরদিকে অভিযুক্ত সোহেল এবং ধর্ষণের শিকার কিশোরী সম্পর্কে চাচা-ভাতিজি হয়। তাদের উভয় পরিবার একই বাড়িতে বসবাস করে। ওই স্কুলছাত্রী দর্জির কাজ শেখার জন্য রাসেলের ঘরে গিয়ে দেখে সে ঘরে নেই। এসময় ঘরে ছিল ধর্ষক সোহেল ও তার খালাত ভাই শামীম এবং আরও সহযোগিতা করেন খালাত বোন মারুফা। মেয়েটি ঘরে প্রবেশের পর কিছু বুঝে উঠার আগেই সোহেল ঘরের দরজা আটকিয়ে তার খালাত ভাই শামীমের সহযোগিতায় ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে এবং তা মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারন করে রাখে।
মামলার পর পরই ধর্ষক সোহেল এবং সহযোগী খালাত বোন মারুফাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আর অপর আসামি শামীম পলাতক রয়েছে। ধর্ষক সোহেলের মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
আমতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) রনজিত কুমার সরকার বলেন, ধর্ষক সোহেল এবং ধর্ষণে সহযোগিতার অপরাধে তার খালাত বোন মারুফাকে গ্রেপ্তারের পর আমতলী উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ধর্ষিতা মেয়েটিকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।