সোমবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, দুপুর ২:২৯

এক স্কুলছাত্রী উদ্ধার হয়েছে অপহরণের ২৩ দিন পরে।

ডেইলি ক্রাইম বার্তা ডেস্ক : বখাটে কর্তৃক অপহরণকৃত অষ্টম শ্রেণির স্কুল ছাত্রীকে ২৩ দিন পর উদ্ধার করেছে শ্রীবরদী থানা পুলিশ আর এই ঘটনা শেরপুরের শ্রীবরদীতে।
গত শনিবার সকালে পার্শ্ববর্তী বকশীগঞ্জ উপজেলার কামারপট্টি এলাকা থেকে ঐ স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করেন আলোচিত মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শ্রীবরদী থানার এসআই কামরুল ইসলাম। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় শ্রীবরদী থানার ওসি জনাব, বিপ্লব কুমার বিশ্বাসের দিক নির্দেশনায় স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করেন এসআই কামরুল ইসলাম।
জানা যায় গত ৬ মে শ্রীবরদী উপজেলার উত্তর খোশালপুর গ্রাম থেকে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ করেন কাকিলাকুড়া কামারদহ পাড়া গ্রামের কালা মিয়ার বখাটে পুত্র আশিক মিয়া (২০)। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা শ্রীবরদী থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করলে দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে ঘটনার সত্যতা পেয়ে গত ১১ই মে শ্রীবরদী থানার তৎকালীন ওসি জনাব, মোখলেছুর রহমান বখাটে আশিক মিয়া সহ এজাহার নামীয় ৭ জন ও অজ্ঞাত ৫/৬ জনকে আসামী করে শ্রীবরদী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধনী ২০০৩ এর ৭/৩০ অপহরণ ও সহায়তার অপরাধে একটি মামলা রেকর্ড করেন।
মামলার বাদী আব্দুল জলিল বলেন, বখাটে আশিক দীর্ঘদিন থেকে আমার অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া কন্যাকে স্কুলে যাতায়াতের সময় উক্ত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। গত ৬ মে রাত আনুমানিক সাড়ে এগারটার দিকে বখাটে আশিক মিয়া সিএনজি যোগে আমার বাড়ি থেকে আমার মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় আমি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও জনপ্রতিনিধিদের অবগত করার পর থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শ্রীবরদী থানার এসআই কামরুল ইসলাম বলেন, মামলা দায়েরের পর থেকেই আমরা ভিকটিমকে উদ্ধার করতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাই। অবশেষে শনিবার সকালে ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্ত আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
ভিকটিমকে মেডিকেল পরীক্ষা, বয়স নির্ধারন ও বিজ্ঞ আদালতের নিকট জবানবন্দীর জন্য আবেদন করা হয়েছে। শ্রীবরদী থানার ওসি জনাব, বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বলেন, ভিকটিমকে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় উদ্ধার করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে এ মামলার এজাহারভুক্ত আসামীদের অচিরেই গ্রেফতার করা হবে। তাদের গ্রেফতার করতে পুলিশ সর্বত চেষ্টা করছে।