রবিবার, ২৬শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:০৪

পর্যটক শূন্য কুয়াকাটা তাই দিশেহারা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।

ডেইলি ক্রাইম বার্তা ডেস্ক : সাগরকন্যা কুয়াকাটা অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি। কুয়াকাটা দক্ষিণ এশিয়ায় একটি মাত্র সমুদ্র সৈকত যেখানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করা যায়। এই অপরূপ সৌন্দর্য্য দেখতে সারাবছর জুড়ে দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকরা ভীড় জমায় সাগরকন্যার বুকে।
তবে বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯’র প্রভাবে প্রায় দু বছর পর্যটক শূন্য সাগরকন্যা কুয়াকাটা। সরকারি নির্দেশে বন্ধ পর্যটন কেন্দ্র।
পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে কুয়াকাটার পর্যটক নির্ভর ব্যবসায়ীরা।
স্বাভাবিক সময়ের ন্যায় বর্তমান পরিস্থিতিতে পর্যটক না থাকায় জিমিয়ে পড়েছে পর্যটক নির্ভর জমজমাট ব্যবসা – বানিজ্য, দিশেহারা কুয়াকাটার পর্যটক নির্ভর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
ব্যাপক ক্ষতির মুখে হোটেল মোটেল, রেস্তোরাঁ, হকার, বিচ ফটোগ্রাফার, ছাতা ব্যবসায়ী, দোকানপাট, কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট বোট, ট্যুরিস্ট গাইড ও ট্যুর অপাটেরসহ অন্যান্য ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। হোটেল মোটেলের তথ্য অনুসারে প্রতিবছর অভ্যান্তরীন পর্যটকদের সংখ্যা প্রায় চারলক্ষ। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারনে পর্যটকদের আগমন শূণ্যের কোঠায়। ফলে পর্যটন নির্ভর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা পথে বসে গেছে। ২০১৯ সালে পর্যটন ব্যবসায়ীরা লাভের মুখ দেখলেও ২০২০ সালে করোনা মহামারীর শুরু থেকে দিন দিন লোকসান গুনে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। ভালো নেই কুয়াকাটার ক্ষুদ্র রাখাইন নারী ব্যবসায়ীরাও।
বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯’র প্রভাবে বন্ধ হয়ে গেছে কুয়াকাটার আদিবাসী রাখাইন নারী ব্যবসায়ীদের অর্থ উপার্জন। ফলে নারী কেন্দ্রীক রাখাইন পরিবারের জীবন-জীবিকা এখন হুমকির মুখে পড়েছে। তীব্র অর্থ সংকটের কারণে চরম হতাশায় দিনপার করছেন পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটার ৯০ ভাগ ক্ষুদ্র রাখাইন নারী ব্যবসায়ীরা এবং এভাবেই হতাশা আর দারিদ্র্যতার সঙ্গে লড়াই করে দিন পার করছেন পর্যটক নির্ভর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
“মিজানুর রহমান অপু সংবাদদাতা পটুয়াখালী”