শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, রাত ১:০৫

বিশাল আকারে ফাটল, পানছড়ি-ধুদুকছড়া সড়কটি।

ডেইলি ক্রাইম বার্তা ডেস্ক : খাগড়াছড়ি জেলার সীমান্তবর্তী পানছড়ি উপজেলার বুক চিরে বয়ে গেছে চেংগী নদী। পানছড়ি-ধুদুকছড়া সড়কের দুই কিলো মিটারের এস্থানে ইসলামপুর আনসার ক্যাম্প পার হয়ে খানিকটা সামনে এগোলেই দেখা মিলে চেংগী নদীর কুল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে দু’তিনটি লাল পতাকা। কাছে গিয়ে দেখা যায়, চেংগী নদীর ধারে বিশালাকার ভাঙ্গন যে কোন মুহুর্তেই সড়কটি গ্রাস হতে পারে চেংগী-র গর্ভে।
সড়কটি দিয়ে নিত্য চলা কয়েকটি যানবাহনের চালক জানায়, দিনের বেলার যেমন-তেমন হলেও সন্ধার পর এ জায়গা পার হওয়া সম্পূর্ণ ঝুকিপূর্ণ এবং এরি মাঝে প্রোটেকশন দেয়াল বা বালির বস্তার বাঁধ না দিলে শেষ রক্ষা হবে না। তবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের এখনও কোন তৎপরতা নেই বলে জানালেন।
এ ব্যাপারে খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, সড়কটি যথাসম্ভব এলজিইডির আওতাধীন। তবে তিনি সদ্য যোগদান করেছে বলেও জানান।
পানছড়ি এলজিইডির প্রকৌশলী অরুণ কুমার দাশ জানান, ধুদুকছড়া শেষ হয়ে গ্রামীণ যে রাস্তাগুলো বয়ে গেছে সেগুলো এলজিইডির। পানছড়ি-ধুদুকছড়া সড়কটি এলজিইডির আওতাধীন নয়।
অনেকের মনে প্রশ্ন তাহলে পানছড়ি-ধুদুকছড়ার সড়কটি কার?
পানছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার দেব জানান, এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত যানবাহন চলাচল করে থাকে। ইসলামপুর আনসার ক্যাম্প পার হয়ে পানছড়ি ধুদুকছড়া জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি নদী গর্ভে বিলীন হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র। সড়ক ও জনপথ বা এলজিইডি যার আওতাধীন হোক না কেন জরুরিভিত্তিতে এর ব্যবস্থা নেয়া দরকার বলে তিনি মনে করেন। এ ব্যাপারে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
“মোঃ চাঁন মিয়া সংবাদদাতা পানছড়ি (খাগড়াছড়ি)”