রবিবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, সন্ধ্যা ৬:৫৪

উত্তর-পশ্চিমসহ বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে বইছে শৈত্য প্রবাহ ৷

ডেইলি ক্রাইম বার্তা ডেস্ক : বেড়েছে ঠান্ডার তীব্রতা এবং উত্তর-পশ্চিমসহ বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে বইছে শৈত্যপ্রবাহ ৷ পর্যাপ্ত সহায়তা না থাকায় কষ্টে আছেন শ্রমজীবী মানুষ৷ শীতজনিত রোগে ভুগছে শিশু ও বৃদ্ধরা৷ হাসপাতালে বেড়েছে রোগীর সংখ্যা৷ খবর ডয়চে ভেলের।
শনিবার বাংলাদেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ছয় দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসে৷ রোববার তা কিছুটা বেড়ে ৭ ডিগ্রি হয়েছে৷ কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক জনাব, সুবল চন্দ্র সরকার জানান, রোববার কুড়িগ্রাম ও পঞ্চগড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ আগামী দুই দিন এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকবে৷ তবে ধীরে ধীরে রাতের তাপমাত্রাও বাড়বে৷
কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষ৷ উত্তরের কয়েকটি জেলার কয়েক হাজার মানুষ রয়েছেন নিদারুণ শীত কষ্টে৷ অসহায় জীবন যাপন করছেন খোলা আকাশের নিচে বসবাসকারী মানুষজন৷ শীত বস্ত্রের অভাবে ভোগান্তিতে রয়েছেন বহু মানুষ৷
দ্রুত সহায়তা দরকার
কনকনে ঠান্ডায় স্থবির হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামের জনজীবন৷ গরম কাপড়ের অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ৷ খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছেন অনেকেই৷ কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক জনাব, রেজাউল করিম জানান, সরকারিভাবে জেলার হতদরিদ্র মানুষের মাঝে ৩৫ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে৷ এছাড়া জেলার নয় উপজেলায় গরম কাপড় কিনে বিতরণের জন্য ছয় লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে৷